1. admin@dailyjessorersangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাদশাহ ফয়সাল ইসলামী ইনস্টিটিউটের নতুন সভাপতি ময়নাকে সংবর্ধনা শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় আবাসিক ভবনে মবিল প্যাকেটজাত, যশোরে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ার অভিযোগ হেপাটাইটিস বি প্রতিরোধে যশোরে সচেতনতামূলক সেমিনার উপশহর পেশাজীবী ফোরামে চিকিৎসা বুথ, অসহায়দের বিনামূল্যে পরীক্ষার উদ্যোগ যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ভালোবাসার ব্যতিক্রমী আয়োজন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে প্রণোদনা সামগ্রী বিতরণ শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শার্শা যুবদল নেতাকে অব্যাহতি সাংবাদিক শাহিনুর রহমান সোনাকে প্রাণনাশের হুমকি, তৃণমূল প্রেস সোসাইটির যশোর জেলা আহবায়ক কমিটির নিন্দা প্রসূতির মৃত্যুতে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ, জীবিত নবজাতক উদ্ধার চিকিৎসার দায়িত্বে ছিলেন ডা. ফাতিমা আক্তার পরিবারের অভিযোগ, তদন্তের অপেক্ষা লালমনিরহাটে কৃষকদের মহাসড়ক অবরোধ সারের দাবিতে যশোরে পৈত্রিক ভিটা উচ্ছেদের অভিযোগের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন রামপালে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবগঠিত কমিটির পরিচিতি ও শুভেচ্ছা বিনিময়

বিরল রক্তরোগ অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়ায় প্রাণ হারাল যশোরের ক্ষুদে হাফেজ জোবায়ের

দৈনিক যশোরের সংবাদ ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৮০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

যশোর প্রতিনিধি।

বিরল রক্তরোগ অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে যশোরের ক্ষুদে হাফেজ জোবায়ের হোসেন। কয়েক মাসের চিকিৎসা, অসংখ্য মানুষের দোয়া ও সহযোগিতার পরও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। রোববার (৫ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জোবায়ের যশোর সদর উপজেলার ঝুমঝুমপুর এলাকার মোহাম্মাদিয়া হাফিজিয়া কওমি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। পরিবার ও শিক্ষকদের কাছে সে ছিল অত্যন্ত মেধাবী ও বিনয়ী একজন শিক্ষার্থী। কয়েক মাস আগেও সে স্বাভাবিকভাবে কোরআন মুখস্থ করছিল। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে বিভিন্ন পরীক্ষার পর তার শরীরে বিরল রক্তরোগ অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া ধরা পড়ে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার নিয়মিত চিকিৎসার জন্য প্রতি মাসে প্রায় ৪২ হাজার টাকা প্রয়োজন ছিল। ভ্যানচালক বাবা মুজাম্মেল হোসেনের পক্ষে এ ব্যয় বহন করা সম্ভব ছিল না। এরপরও সন্তানের চিকিৎসায় নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দেন তিনি। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। সবার আশা ছিল, চিকিৎসা শেষে জোবায়ের আবার মাদ্রাসায় ফিরে কোরআন হেফজ সম্পন্ন করবে।

শনিবার দিবাগত রাতে জোবায়েরের শারীরিক অবস্থার আকস্মিক অবনতি ঘটে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু রোববার সকাল ৭টার দিকে সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।

মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্বজনদের আহাজারিতে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা-মা, আত্মীয়স্বজন, শিক্ষক ও সহপাঠীরা। যে শিশুর কণ্ঠে প্রতিদিন কোরআন তিলাওয়াত শোনা যেত, তার মৃত্যুতে স্তব্ধ হয়ে গেছে পুরো এলাকা।

জোবায়েরের মৃত্যুতে স্থানীয় বাসিন্দারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। অনেকেই বলেন, অসংখ্য মানুষের দোয়া ও সহযোগিতা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত জীবনযুদ্ধে হার মানতে হলো কোরআনের এই ক্ষুদে শিক্ষার্থীকে।প্রতিবেদনটি জাতীয় দৈনিকের সংবাদধর্মী ভাষা অনুসরণ করে লেখা হয়েছে এবং আবেগের পরিবর্তে তথ্যভিত্তিক উপস্থাপনাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক যশোরের সংবাদ
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park