
নিজস্ব সংবাদদাতা :
যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ক্যাশিয়ার আলমগীর ফুলেফেঁপে ঢোল!
গড়েছেন জমি,আলিশান বাড়ি দামি মোটর বাইক নামে বেনামে ব্যাংক ব্যালেন্স
যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ক্যাশিয়ার মোঃ আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে যশোর জেলার মোট ৮ উপজেলার ৮ হাজারের অধিক শিক্ষকদের চুড়ান্ত অনুমোদনের ফাইল আটকিয়ে রেখে লাখ লাখ টাকা ঘুষ আদায় করে থাকেন ঘুষখোর আলমগীর এমনটাই জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী। তাছাড়া জেলার সকল জিপিএফ বিলের ফাইল,জেলার ট্রেনিং নিয়ন্ত্রণের ফাইল এবং ডিপিও অফিসের অফিসারদের টিএ বিলের ফাইল নিয়ন্ত্রণ করে ঘুষ আদায়ের তথ্য মিলেছে। তার মুলত পদ উচ্চমনা সহকারী হলেও জীবননগর উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে পদ পরিবর্তন করে লোভনীয় ক্যাশিয়ার পদে যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পদায়ন নেন।একই স্টেশনে ৩ বছরের অধিক সময় থাকার নিয়ম না থাকলেও বিভিন্ন দপ্তর ম্যানেজ করে তিনি রয়েছেন প্রায় দশবছর। আর জ্ঞাত আয় বহির্ভূত এসব ঘুষের টাকায় যশোর শহরে গড়ে তুলেছেন জমি, আলিশান ভবন ও নামে বেনামী ব্যাংক ব্যালেন্স এছাড়া নিজ জন্মস্থান যশোরের শার্শা উপজেলায় গড়ে তুলেছেন লাখ লাখ টাকার সম্পদ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার একজন বিশ্বস্ত সহকর্মী জানান আমরা যে বেতন পাই তাতে সংসার চালাতে হিমশিম খেলেও আলমগীর সাহেব ইতিমধ্যে কিভাবে জিপিএফ ফান্ডে ১৫ লাখ টাকা জমিয়েছে আমাদের জানা নাই।
এবিষয়ে যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ক্যাশিয়ার মোঃ আলমগীর হোসেনের সাথে মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি বলেন যশোরের অনেক সাংবাদিকের সাথে আমার সম্পর্ক আছে আপনিও বেড়াতে এসেন।