
যশোরের হামিদপুরে প্রিয়মুখ বাহারুন্নেসার জানাজা সম্পন্ন
যশোর প্রতিনিধি।
যশোর সদর উপজেলার হামিদপুর এলাকার সুপরিচিত মুখ এবং হামিদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক আয়া বাহারুন্নেসা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল সোমবার রাতে যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি প্রয়াত আবু জাফর শেখের স্ত্রী এবং সাংবাদিক জুম্মান হোসেনের বড় চাচি।
মৃত্যুকালে তিনি আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। বাহারুন্নেসা দীর্ঘ সময় হামিদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আয়া হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেখানে তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে একজন স্নেহময়ী অভিভাবক হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। অবসর গ্রহণের পর তিনি হামিদপুর ক্রিসেন্ট প্রি-ক্যাডেট নার্সারি স্কুলে পুনরায় আয়া পদে যোগ দেন। তার মৃত্যুতে উভয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার জোহর নামাজ শেষে হামিদপুর সিকদারপাড়া শাহী মসজিদ প্রাঙ্গণে মরহুমার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন যশোর সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনজুরুল হক খোকন, ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি ও ইউপি সদস্য শেখ আকরাম হোসেন, থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম এবং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান সেন্টু।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যশোর সদর উপজেলা সেক্রেটারি নায়েবে আমির মাওলানা জহির রায়হান, হামিদপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও জামায়াত নেতা হাফেজ মাওলানা মইনুদ্দিন, জামায়াত নেতা তৌফিকুর রহমান এবং সমাজসেবক বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম রবি।
শিক্ষক সমাজের পক্ষ থেকে অংশ নেন
হামিদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল সুবহান, শিক্ষক মুন্সি সানোয়ার, গোলাম মোরশেদ এবং হামিদপুর ক্রিসেন্ট প্রি-ক্যাডেট নার্সারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন। জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে মরহুমার দাফন সম্পন্ন হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া চাওয়া হয়েছে।