1. admin@dailyjessorersangbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাদশাহ ফয়সাল ইসলামী ইনস্টিটিউটের নতুন সভাপতি ময়নাকে সংবর্ধনা শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় আবাসিক ভবনে মবিল প্যাকেটজাত, যশোরে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ার অভিযোগ হেপাটাইটিস বি প্রতিরোধে যশোরে সচেতনতামূলক সেমিনার উপশহর পেশাজীবী ফোরামে চিকিৎসা বুথ, অসহায়দের বিনামূল্যে পরীক্ষার উদ্যোগ যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ভালোবাসার ব্যতিক্রমী আয়োজন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে প্রণোদনা সামগ্রী বিতরণ শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শার্শা যুবদল নেতাকে অব্যাহতি সাংবাদিক শাহিনুর রহমান সোনাকে প্রাণনাশের হুমকি, তৃণমূল প্রেস সোসাইটির যশোর জেলা আহবায়ক কমিটির নিন্দা প্রসূতির মৃত্যুতে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ, জীবিত নবজাতক উদ্ধার চিকিৎসার দায়িত্বে ছিলেন ডা. ফাতিমা আক্তার পরিবারের অভিযোগ, তদন্তের অপেক্ষা লালমনিরহাটে কৃষকদের মহাসড়ক অবরোধ সারের দাবিতে যশোরে পৈত্রিক ভিটা উচ্ছেদের অভিযোগের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন রামপালে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নবগঠিত কমিটির পরিচিতি ও শুভেচ্ছা বিনিময়

মনিরামপুরে ভিডিও সাক্ষাৎকার ঘিরে বিতর্ক,গণমাধ্যমকে মিথ্যা তথ্য দিলেন আবুল কালাম আজাদ।

দৈনিক যশোরের সংবাদ ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ৫৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

জাহিদ হাসান মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ১৩ নম্বর খানপুর ইউনিয়নের শালিকার বিল এলাকায় একটি পুরোনো ঘের পুনঃখননকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের ঘটনায় গণমাধ্যমকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শেখপাড়া গ্রামের মৃত আকবর দফাদারের ছেলে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শালিকার বিলে দীর্ঘদিন আগে একটি মাছের ঘের নির্মাণ করা হয়েছিলো। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঘেরটি নির্মাণের সময় জমির ভেতরের মাটি খনন না করে কেবল ভেড়ির পাশের মাটি কেটে বাঁধ নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে চুক্তিপত্র অনুযায়ী ঘেরটি বিলুপ্ত হওয়ার কথা থাকলেও সম্প্রতি পুনরায় কৃষি জমিতে ঘের মালিকের প্রয়োজন অনুযায়ী ঘের খননের উদ্যোগ নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় আবুল কালাম আজাদ একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে দৈনিক প্রজন্ম ৭১-এর সাংবাদিক শাহজান শাকিলকে জানান, সংশ্লিষ্ট ঘেরের মধ্যে তার ৪৫ শতক জমি রয়েছে। তবে এ দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও ঘেরের পূর্ববর্তী মালিকরা।জাহিদ নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, তার নাম ধরে আবুল কালাম আজাদ বিকৃতভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন যার চরম মানহানির পর্যায়ে পড়ে।জাহিদ বলেন, চুক্তিপত্রে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করানোর অভিযোগ তিনি করেননি, বরং ঘেরের পূর্ববর্তী মালিকদের কাছ থেকে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোর করে ‘নাদাবি’ স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ ঘের মালিকগণ করেছিলেন। অন্যদিকে জমির পূর্ববর্তী মালিকগন আব্দুল গফুর হোসেন,ইসমাইল হোসেন, ফজলুর রহমান ভিডিও সাক্ষাৎকারে নিশ্চিত ভাবে বলেন তাহাদের সংশ্লিষ্ট ঘেরের ভেতরে আবুল কালাম আজাদের কোনো জমি নেই। তাদের ভাষ্যমতে, আবুল কালাম আজাদের জমি ঘেরের বাইরে অবস্থিত এবং তিনি ঘেরের অভ্যন্তরে জমি থাকার যে দাবি করেছেন, তা সঠিক নয়।তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন,স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গেও কথা বলে একই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের দাবি, ঘেরের ভেতরে আবুল কালাম আজাদের কোনো জমি নেই। অপর একজন মোতালেব হোসেন তিনিও বলেন তার তিন কাঠা জমি আছে কিন্তু তার ঘেরের মধ্যে কোন জমি নেই,সরেজমিনে যে এলাকাবাসীর তথ্য মতে জানা যায় তাহারও ঘেরের মধ্যে কোন জমি নাই প্রকৃতপক্ষে তার ভাই সিদ্দিকুর রহমানের ৩ কাঠা জমি আছে সেটাও ঘেরের বাহিরে যাহা তিনি নিজে খনন করে ঘিরে রেখেছেন।  তারা অভিযোগ করেন, তিনি গণমাধ্যমকে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য দিয়েছেন, যাহা ৩০মে২০২৬ তারিখে দৈনিক প্রজন্ম একাত্তর অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে,এই সংবাদ প্রকাশে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের পেশাগত মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালাম আজাদের বক্তব্য পুনরায় নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক যশোরের সংবাদ
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park