
জাহিদ মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধিঃ
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ১৩ নং খানপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত শালিকা বিলে কৃষি জমি রক্ষার জন্য আবেদন ও কৃষি জমিতে মাছের ঘের পুনঃ সংস্কার না করে ঘেরটি বিলুপ্ত করার অভিযোগ করায় এবং ঘের সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে মহিলা যুবলীগের সক্রিয় কর্মী মুক্তা খাতুন বিরোধপূর্ণ পুরাতন মাছের ঘের নিয়ে জমির ভুয়া মালিক সাজিয়ে মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে মহিলা যুবলীগের সক্রিয় কর্মী মুক্তার নেতৃত্বে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে জমির ভুয়া মালিক’ সাজিয়ে মানববন্ধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সদস্য এবং স্থানীয় এলাকাবাসীর তথ্যসূত্রে তার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে। মানববন্ধনে মহিলা যুবলীগের সক্রিয় কর্মী মুক্তা খাতুন গণমাধ্যমকে বলেছেন জাহিদ এবং শুভ ঘেরে জমি দিতে রাজি না হওয়ায় এই জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু জাহিদ এবং শুভ বলেন এম এ হালিম আমাদের যে কৃষি জমিটা নিয়ে পুনঃ সংস্কার করে ঘের করবেন সেখানে তিনি তার প্রয়োজন অনুযায়ী ইচ্ছা মতো খনন করবে তাহাতে জমির মালিক কোন প্রকার আপত্তি করিতে পারিবে না উল্লেখ করেছেন এই শর্তে জাহিদ শুভ ছাড়া আরো কয়েকজন কৃষক এম এ হালিমকে মাছের ঘের করার জন্যে জমি দিবে না এমনকি সেটারও তথ্য প্রমান ইউএনও অফিসেও রয়েছে তারপরও মহিলা যুবলীগের মহিলা কর্মী মুক্তা খাতুন এলাকাতে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটানোর জন্যে গণমাধ্যমকে ভুয়া এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছেন বলে এলাকাবাসী ধারণা করছেন।মানববন্ধনে অংশ নেওয়া আব্দুল লতিফ এর কল রেকর্ডে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে ৮ জুন ২০২৬ তারিখে জমির মালিক শরীয়তুল্লাহর ছেলে আব্দুল লতিফ কে ফোন করলে তিনি বলেন মানববন্ধনে যারা উপস্থিত হয়েছে তাদের সবারই জমি আছে এবং আরো লোক আছে তারা আসতে পারে নাই কিন্তু একটি পরিবার থেকে সাত জন লোক এসেছে আব্দুল লতিফ বলেন উক্ত ঘেরের ভিতরে আমারই ৮৪ শতক জমি আছে আমি জমির মালিক কিন্তু পরবর্তীতে জমির মালিকানা যাচাই করার জন্য বললে, বলেন জমি আমার না জমির মালিক আমার পিতা (শরীয়তুল্লাহ) আব্দুল লতিফ জমি বন্ধক রেখেছেন বলে জানান জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিষয় বিস্তারিত জানতে চাওয়ায় তিনি ব্যস্ত আছেন পরে কল দিচ্ছি বলে ফোন কলটি কেটে দেন।(যার কল রেকর্ড সংগৃহীত হয়েছে )
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও একজন বলেন মানববন্ধনে উপস্থিত হয়েছেন তাদের ভিতরে জমির মালিক দুই থেকে তিনজন। তাহলে বাকি লোক কারা ছিলো কিসের স্বার্থে ভুয়া জমির মালিক সেজে মানববন্ধনে এসেছেন?
মিথ্যা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে গণমাধ্যমের সুনাম ক্ষুন্ন এবং বিশ্বাস যোগ্যতা হারানোর অপচেষ্টা ও করেছেন মহিলা যুবলীগের সক্রিয় কর্মী মুক্তা খাতুন ও আব্দুল লতিফ।মহিলা যুবলীগের নেত্রী মুক্তা খাতুন গং গণমাধ্যমকে ভুয়া তথ্য দিয়েছেন যাহার পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকটি পত্রিকা এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দুইজন জমির মালিক ও এলাকাবাসী।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে ঘেরের জমির মালিকদের হয়রানি বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং তা সঠিক নয়।জমির মালিক জাহিদ ও শুভ বলেন মুক্তা খাতুন
শালিকা বিলের ঘের নিয়ে একটি মহলকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে। এতে প্রকৃত জমির মালিক, উদ্যোক্তা ও স্থানীয়দের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হচ্ছে।শান্তিময় পরিবেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছেন। অভিযোগের বিষয়ে মুক্তা খাতুন কে ৮ জুন ২০২৬ তারিখে ফোনে কয়েকবার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।
ঘের সংশ্লিষ্ট এবং জমির মালিক দুইজন জানান, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কাছে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। তারা আশা করছেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ পাবে।
প্রতিবাদকারীরা প্রকাশিত সংবাদের সংশ্লিষ্ট অংশের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য যাচাই-বাছাই করার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সম্রাট হোসেন বলেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।