
নাসিম রেজা নাসির :
যদি বলেন আপনার দৃষ্টিতে বিবেচনায় যশোরের ইতিহাসে সেরা পুলিশ কনস্টেবল কে চোখে বুঝে বাছ বিচার না করে এক সেকেন্ডে উত্তর দিবো সোহেল রানা। ভুল বুঝবেন না কারন বাছ বিচার আগেয় তার কর্মের মাঝে আমি নই যশোর প্রেসক্লাবের অধিকাংশ সাংবাদিক জানেন যে এই পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানা। যশোর সদর হসপিটাল ভবন রোগী ডাক্তার আয়া নার্সদের নিজের পরিবারের মত ভাবতেন।দিন রাত মানুষের সেবায় ছিলো তার নেশা।আপনারা ভাবছেন হঠাৎ সোহেল রানাকে নিয়ে কেনো লিখছি কারন গতকাল সোহেল রানা তার শেষ কর্মদিন শেষে করেছেন। যশোর জেনারেল হসপিটাল থেকে আজ তিনি চলে যাচ্ছেন তার পোস্টিং এলাকায়।পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা সোহেল কে জানেন বোঝেন পোস্টিং এর চাকরি পোস্টিং হবে এটায় স্বাভাবিক।তবে আমার একটি বাক্যের সাথে হয়তো সোহেল কে যারা চেনেন জানেন তারা একমত হবেন (সোহেল রানা ছাড়া যশোর জেনারেল হসপিটাল অরক্ষিত) একজন সাধারন নাগরিক হিসাবে আমার চাওয়া পুলিশ সদস্য সোহেল রানা হসপিটালে কিছু দিন পরে ফিরিয়ে আনা যায় কিনা। যশোর জেনারেল হসপিটাল পুলিশ ক্যাম্পের সদস্য কনস্টেবল সোহেল রানা সম্মন্ধে আপনাদের মতামত চাওয়া জানাতে পারেন। যশোর শহরসহ আটটা উপজেলার সাধারণ মানুষের চাওয়া সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করুন,তিনি জানেন হাসপাতালে সাধারণ রোগীদের ক্ষতি করে কারা দালালি করে কিভাবে সাধারন রোগীদের ক্ষতি করে,দালাল ও প্রতারকদের আতঙ্ক সোহেল নামে পুলিশ কনস্টেবল একজন মানবিক পুলিশ। শেষ কথা শুভ কামনা প্রিয় সোহেল রানা