1. admin@dailyjessorersangbad.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগে খুলনা রেঞ্জের ২৮ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার যশোরে ১৫ টাকা কেজির সরকারি চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, ডিলারের কাগজপত্র জব্দ বাঘারপাড়ায় পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইনের মামলায় আসামি গ্রেপ্তার যশোরে গভীর রাতে বাড়িতে প্রবেশ, আহত অবস্থায় হাসপাতালে আটক ব্যক্তি যশোরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য যুব সমাবেশর মধ্য দিয়ে পালিত।  চৌগাছা থানার ওসি মামুনুর রশিদ এর শেষ রক্ষা হলো না, অবশেষে বদলি।  নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন, কাজী বাবুল।  যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করতে কেশবপুরে প্রস্তুতি সভা যশোরের চৌগাছায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সৎ বাবা গ্রেফতার। যশোরের দায়তলা কালীমন্দির পরিদর্শনে ইউএনও শাহরিয়ার হক ও বিএনপি নেতৃবৃন্দ যশোর টাউন হল মাঠে ২৭ অক্টোবর পবিত্র আজিমুশশান ইসলামী জলসা

অন্ধকার জগতের ডন,  মেধাবী খুনি শীর্ষ সন্ত্রাসী  যশোরের টিটন ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত 

দৈনিক যশোরের সংবাদ ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

  স্টাফ রিপোর্টার :
ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় খুন হওয়া দেশের অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী নাইমুর হাসান টিটনের (৫৭) বাড়ি যশোর শহরের খড়কী এলাকা আপনের মোড়ে। বাবা খন্দকার ফখরুদ্দিন ছিলেন খুলনা জুট মিলের পদস্থ কর্মকর্তা। ফখরুদ্দিনের দুই স্ত্রী। টিটনরা সাত ভাই ও পাঁচ বোন। সাত ভাইয়ের মধ্যে বড় ভাই রিপন ও তপন যশোরে থাকেন। বাকিরা যশোরের বাইরে।
২০০০ সালের দিকে র‍্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হওয়া যশোরের অন্যতম সন্ত্রাসী টুটুলের আপন ভাই এই টিটন। তিনি চিরকুমার।
এলাকার একটি সূত্রে জানা গেছে, ৯০ দশকের শুরুতে টিটন ও টুটুল বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তখন থেকেই তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু। চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তার, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসাসহ সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। বেশ কয়েকটি খুনের ঘটনায়ও জড়িত ছিলেন টুটুল ও টিটন।
১৯৯৬ সালের দিকে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই ভাই ঢাকায় চলে যান। ঢাকার মোহাম্মদপুরে তাদের একটি বাড়িও আছে। এরপর থেকে ঢাকা ও যশোরে তারা নিয়মিত যাতায়াত করতেন।
১৯৯৯ সালে যশোরের কারবালা এলাকায় মোসলিম উদ্দিন খোকন ও টিপু নামে বিএনপির দুই কর্মীকে হত্যা করেন টুটুল। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে টিটনও জড়িত ছিলেন। এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের জেরে র‍্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হন টুটুল। আর টিটন পালিয়ে ঢাকায় চলে যান। সেখানে থেকেই অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণকর্তা বনে যান তিনি। মাঝেমধ্যে তাকে যশোরে দেখা যেত।
সূত্র মতে, ঢাকার অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজেদুল ইসলাম ইমন হলেন নিহত টিটনের ভগ্নিপতি। ভগ্নিপতির সঙ্গে থেকেই অপরাধ জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন টিটন। খুন, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, জমি ও বাড়ি দখল এমন কোন  সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নাই- যেখানে টিটন জড়িত ছিলেন না।
২০০১ সালে তৎকালীন সরকার দেশের ২৩ জন শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রকাশ করে। এই তালিকার ২ নম্বরে ছিলেন তিনি। এই তালিকায় তার ভগ্নিপতি সাজেদুল ইসলাম ইমনেরও নাম ছিল।
সূত্রটি জানিয়েছে, দীর্ঘদিন অত্যন্ত গোপনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতেন টিটন। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারও হয়েছেন একাধিকবার।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর টিটন ঢাকার কারাগার থেকে মুক্তি পান। মুক্ত হয়েই আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। তার গোপন ব্যবসার মধ্যে ছিল- অস্ত্র ও মাদক। অস্ত্র চোরাচালানের জন্য যশোর-ঢাকা রুটে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ছিল তার। ভারতীয় অস্ত্র ঢাকায় নিয়ে তিনি বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপের কাছে বিক্রি করতেন।
মঙ্গলবার রাত পৌনে ৮টার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেটের পশ্চিম পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ হলের সামনের বটতলায় তাকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। দুর্বৃত্তরা টিটনকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। খুব কাছ থেকে তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পাঁচ থেকে ছয়টি গুলি করে। এরপর দ্রুত পালিয়ে যায় তারা। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত টিটনের লাশ যশোরে আনার জন্য ঢাকায় রওনা দিয়েছেন তার বড় ভাই রিপন।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক যশোরের সংবাদ
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park