যশোর প্রতিনিধি :
যশোর আর এন রোড হইতে বসুন্দিয়া–শহরতলীর বিভিন্ন ও গ্যারেজে নিম্নমানের মবিল ও গ্রীস দিদারসে বিক্রি করছে।
ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শত শত যানবাহন,মালিক ও ব্যবসায়ীরা।
যশোর আর এন রোড হইতে বসুন্দিয়া মোড় এবং শহরতলীর বিভিন্ন মোটরসাইকেল গ্যারেজ ও তেলের দোকানে নিম্নমানের ও ভেজাল মবিল-গ্রীস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে—নামি ব্র্যান্ডের খালি কন্টেইনার সংগ্রহ করে তাতে নিম্নমানের খোলা মবিল ভরে বাজারজাত করা হচ্ছে।
যশোরের বিভিন্ন এলাকায় এমন ভেজাল চক্রের অস্তিত্ব ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ধরা পড়েছে, যেখানে নকল ইঞ্জিন অয়েল তৈরির কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ ভেজাল পণ্য জব্দ করা হয়েছে,
যশোরের
স্থানীয় মোটরসাইকেল চালক ও গাড়ির মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়—
নতুন মবিল দেওয়ার পরপরই ইঞ্জিনে অস্বাভাবিক শব্দ
গাড়ির পিকআপ কমে যাচ্ছে
অতিরিক্ত ধোঁয়া ও তাপ
কয়েক মাসের মধ্যে ইঞ্জিন ওভারহল করতে হচ্ছে
একজন ভুক্তভোগী বলেন, যশোর বিভিন্ন স্পটে যেমন চুড়ামনকাঠি,নতুন ঘরের তালা, পাল বাড়ির মোড়, নিউ মার্কেট, ঢাকার রোড, আর এন রোড, যাত্রিক পেট্রোল পাম্পের সামনে, বকচর, মুরলির মোড়, রাজারহাট, রূপদিয়া, রামনগর, চাচড়া,চাচার ডাল মিল, স্টেশন বাজার রোড, নতুন টার্মিনাল, রূপ দিয়া জামতলা, বসুন্দিয়া মোড়, এইসব এলাকায় ভিতরে নকল মবিল ও গ্রীসের কারখানা আছে, এখান থেকে বিভিন্ন দোকানে সেল করা হয়।
“দোকান থেকে ভালো ব্র্যান্ডের মবিল বলে যে পুড়া মবিলরে জ্বালিয়ে তা থেকে নতুন মবিল তৈরি করে দেয়, কয়েকদিন পরই ইঞ্জিনে সমস্যা শুরু হয়।”
অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যেসব কৌশল
নামি ব্র্যান্ডের খালি বোতল সংগ্রহ
নিম্নমানের খোলা মবিল ভরে পুনরায় সিল করা
গ্যারেজের মাধ্যমে সরাসরি গ্রাহকের গাড়িতে ব্যবহার
কম দামে বিক্রি করে গ্রাহক আকৃষ্ট করা
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের মবিল ইঞ্জিনের ভেতরে সঠিক লুব্রিকেশন দিতে পারে না, ফলে দ্রুত ঘর্ষণ বাড়ে এবং ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বাস্তব প্রভাব: খরচ বাড়ছে, ঝুঁকি বাড়ছে
সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, নিম্নমানের মবিল ব্যবহারের কারণে গাড়ির মাইলেজ কমে যাচ্ছে এবং মোটরসাইকেল সহ ভারী যানবাহনের ইঞ্জিনের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হচ্ছে সাথে সাথে মালিকদের অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হচ্ছে। যশোরবাসি প্রশাসনের উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।